নির্বাচনী দ্বন্দ্ব: যুবককে বেঁধে মারধর, চেয়ারম্যানসহ আটক ৯

ঢাকা, ২৩ নভেম্বর – ঢাকার ধামরাইয়ের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যানসহ ৯ জনকে পুলিশ আটক করেছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২২ নভেম্বর) রাতে ধামরাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহিদ পারভেজ এক যুবককে মারধরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে আটকের বিষয়টি এড়িয়ে যান।

আটক ব‌্যক্তিরা হলেন— বালিয়া ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান ও তার ভাতিজা মো. সিয়াম, আব্দুল মজিদ, তার ছেলে সামছুল হক ও নাতি সিহাব, পশ্চিম সূত্রাপুর মসজিদের সভাপতি মো. মজিবর, রাজন, শামীম, নাছিমা আক্তার এবং রাশেদা বেগম।

এর আগে বেলা ১২টার দিকে বালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব সূত্রাপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী যুবক ইসরাফিল হোসেনকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ভুক্তভোগী যুবকের ভাই রবিউল আউয়াল বলেন, ‘‘আমার ভাই ইসরাফিল ইট ব্যবসায়ী। ইউপি নির্বাচনে সে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মজিবর রহমানের প্রতিপক্ষকে সমর্থন করেছিলো। এরই জেরে আজ বেলা ১২টার দিকে চেয়ারম্যান মজিবর তার লোকজন পাঠিয়ে ইসরাফিলকে ডেকে নিয়ে যায়।

‘চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আমার ভাইকে সূত্রাপুর বাজারে হাত-পা বেঁধে লাঠি ও রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এসময় স্থানীয়দের খবরে পুলিশের ৪-৫টি গাড়ি উপস্থিত হলে চেয়ারম্যান মজিবর এলাকার মসজিদে মাইকিং করে আতঙ্ক ছড়ায়। এমনকি যার যা আছে তাই নিয়ে বাজারে হামলা করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ চেয়ারম্যানসহ তার ১০ জন লোককে ধরে থানায় নিয়ে যায়। আমি থানায় অভিযোগ দিতে এসেছি।”

ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, ‘বালিয়া ইউনিয়নে এক যুবককে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে আটকের বিষয়টি মামলার পরে জানানো হবে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ২৩ নভেম্বর

সূত্রঃ দেশে বিদেশে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: