সওজের উচ্ছেদ করা জমিতে পুনরায় পৌরসভার মার্কেট নির্মাণ

মানিকগঞ্জে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমিতে উচ্ছেদ করা জমিতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ফের কাঁচাবাজার নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সওজ কর্তপক্ষ। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে মানিকগঞ্জ পৌরসভার। দুই পক্ষই আইনগত ভাবে ন্যায্যতা দাবি করছে।

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যন্ডে কাছে ঢাকা-আরিচা মহসড়ক থেকে শহরে ঢোকার মুখে প্রায় প্রায় ২০ বছর আগে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জমিতে পৌরসভার উদ্যোগে প্রায় ৩০০ দোকান নিয়ে কাঁচাবাজহারটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু রাস্তা প্রসস্থকরণের প্রয়োজনে গত সেপ্টেম্বর মাসে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কাঁচাবাজারটি উচ্ছেদ করে। প্রসস্তকরণের ফলে কাঁচাবাজারের উত্তর-দক্ষিন বরাবরা প্রায় ২৮ ফিট জমির প্রয়োজন হয়। ইতিমধ্যে রাস্তা প্রাসস্তকরণ এবং ড্রেনের কাজ শেষ হয়েছে। এ অবস্থায় পুনরায় কাঁচাবাজারটি স্থাপনের উদ্যোগ নেয় পৌরসভা।

কাঁচাবাজার বনিক সমিতির সভাপাতি মহম্মদ রবিউল আওয়াল জানান, একটি কমিটির মাধ্যমে আগের দোকান মালিকের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা সেলামি নিয়ে আরসিসি পিলার এবং টিনের বেড়া ও চাল দিয়ে অস্থায়ী ভাবে দোকান ঘর করা হচ্ছে। আলোচনা সাপেক্ষে মাসিক ভাড়াও দিতে হবে দোকান ব্যবসায়ীদের। তিনি আরও জানান হিসাবের সস্বচ্ছতার জন্য পৌর মেয়ের ও বনিক সমিতির নামে যৌত ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে করে নির্মান খরচ বাবাদ টাকা আদায় করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ব্যবাসাযীরা আরও টাকা দেবে। না হয় বেচে যাওয়া টাকা ফেরৎ পাবে।

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গাউস-উল- হাসান মারুফ সরজমিনে মঙ্গলবার নির্মাণধীন কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে দোকান মালিকদের বিনা অনুমতিতে দোকান ঘর নির্মান করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন এ ব্যাপাারে হাইকোর্টে নির্দেশনা আছে। হাইকোর্টের নির্দেমনা অমান্য করলে আইনগত ভাবে উচ্ছেদ করা হবে। এ সময় মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমানসহ মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ পোৗরসভার মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিম বলেন ওই জমি সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাছ থেকে পৌরসভার লিজ নেয়া। এ নিয়ে মামলা চলছে। তবে তিনি দাবি করেন আইনগত ভাবেই বর্তমানে সেখানে মার্কেট নির্মান করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন মুলত উচ্ছেদের ফলে বেকার ক্ষুদ্র ব্যবাসায়ীদের পুর্নবআসনের উদ্ধেশ্যে আবার মার্কেট স্থাপন করা হচ্ছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রয়োজন হলে ব্যবসায়ীর সরে যাবে।

ইত্তেফাক/এসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: