‘রানীনগরে ব্র্যাকের কিস্তির চাপে শ্রমিকের আত্মহত্যা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

‘রানীনগরে ব্র্যাকের কিস্তির চাপে শ্রমিকের আত্মহত্যা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্র্যাক। প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র মিডিয়া ম্যানেজার মাহবুবুল আলম কবীরের প্রেরিত প্রতিবাদ পত্রে লেখা হয়, ‘আজ মঙ্গলবার (৯ই জুন) আপনার পত্রিকায় ‘রানীনগরে ব্র্যাকের কিস্তির চাপে শ্রমিকের আত্মহত্যা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের গোচরে এসেছে।’

প্রকাশিত সংবাদটি হলো: https://www.ittefaq.com.bd/wholecountry/156953/

প্রতিবাদ পত্রে বলা হয়, ‘রানীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা প্রেরিত এই সংবাদে বলা হয়েছে- দিনমজুর ছাইদুল ব্র্যাক থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। সেই ঋণের কিস্তির চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু এই সংবাদটি সঠিক নয়।’

সেখানে আরো উল্লেখ করা হয়, ‘প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- উক্ত ছাইদুল ব্র্যাকের কাছ থেকে কোনো ঋণ নেননি। তিনি ওই এলাকায় ব্র্যাকের গ্রাম সংগঠনের সদস্য জুলেখার স্বামী। উক্ত সদস্যা বিগত ১০/১২ বছর যাবৎ ব্র্যাকের সাথে লেনদেন করছেন। গত জানুয়ারিতে তিনি ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঋণ গ্রহণ করেন এবং ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে কিস্তি প্রদান করেন। পরে করোনা ভাইরাসের প্রভাবের কারণে এপ্রিল মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত তার নিকট থেকে কোন কিস্তি নেওয়া হয়নি এবং কোনোরকম চাপও প্রয়োগ করা হয়নি।’

প্রতিবাদ পত্রে আরো বলা হয়, “খবরে লেখা হয়েছে, ‘শনিবারে ব্র্যাকের কর্মী তার বাড়িতে যায় এবং কিস্তির জন্য চাপ দেয়।’ কিন্তু এই তিন মাসের মধ্যে ব্র্যাকের কোনো কর্মী ওই সদস্যার বাড়িতেই যায়নি, কিস্তি আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগের তো প্রশ্নই ওঠে না। তাছাড়া ব্র্র্যাক অফিস শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। প্রথমদিকেই আত্মহত্যার খবরটি দেওয়া হয়েছে পুলিশের বরাতে। তারপর ১ লাখ টাকা ঋণ ও চাপপ্রয়োগের কথা লেখা হয়েছে মৃত ব্যক্তির ছোটভাইয়ের অভিযোগে। অথচ জনাব ছাইদুল ঋণগ্রহীতা, আর সেই ঋণের পরিমাণ ১ লাখ টাকা- এ দুঠো তথ্যের কোনোটাই সঠিক নয়। আবার সবশেষে একই খবরে লেখা হয়েছে- রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি!”

পত্রের সর্বশেষে বলা হয়, ‘এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সংবাদ পরিবেশনের আগে ইত্তেফাকের সংবাদদাতা স্থানীয় ব্র্যাক অফিসে যোগাযোগ করে এর সত্যতাও যাচাই করেননি।’

ইত্তেফাক/আরএ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: