চিফ হুইপের নির্দেশে শিবচরে জোন ভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়নে কর্মীরা

শিবচরের সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এবং আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পার্টির সেক্রেটারি নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার জোন ভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছে স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবককর্মীরা। কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন ও শিবচর পৌরসভার বিভিন্ন ইউনিয়নে জোন ভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে কঠোর পরিশ্রম করছেন তারা।

শনিবার (২০ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম ও পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খানের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রথমে শিবচর পৌরসভা থেকে শুরু করে দ্বিতীয়খন্ড, কাদিরপুর, কুতুবপুর, কাঁঠালবাড়ী, মাদবরেরচর, পাঁচ্চর, উম্মেদপুর, ভদ্রাসন, ভান্ডারীকান্দি, বাঁশকান্দি, বহেরাতলা উত্তর ও বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবককর্মীরা ঠিক মতো কাজ করছে কিনা তার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখেন।

কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও ব্যবসায়ী মো. সজিব হাওলাদার রবিবার (২১ জুন) দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, চিফ হুইপের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবককর্মীরা একত্রিত হয়ে মাঠে কাজ করছি। আমি নিজে বিভিন্ন বাজারে বাজারে ঘুরে হ্যান্ড মাইক দিয়ে কথা বলে জনগণকে সচেতনতা করার চেষ্টা করছি। এর আগেও প্রথম লকডাউনের সময় একইভাবে জনসচেতনতামূলক কাজ করেছি।

অপরদিকে করোনা ভাইরাসের মহামারি বিস্তাররোধে লকডাউনকৃত শিবচরে মোটরসাইকেলসহ যানবাহন প্রবেশে কঠোর হয়েছে পুলিশ প্রশাসন। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে কোন মোটরসাইকেল বা যানবাহন শিবচরে প্রবেশ করলেই জব্দ করা হচ্ছে। পুলিশের যথাযথ উত্তর প্রদান না করতে পারলে মোটরসাইকেল ও চাবি জব্দ করে রাখা হচ্ছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে ঘোরাঘুরি করার বিষয়েও প্রশাসন নজর রাখছেন।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নতুন করে বেড়ে যাওয়ায় শিবচরে রেড জোন অন্তর্ভুক্ত পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডসহ নয় ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে। পৌরসভার ১, ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড রেড জোন ভুক্ত। বাকি ইউনিয়নগুলো হলো-শিবচর, দ্বিতীয়খন্ড, বহেরাতলা দক্ষিণ, বাশকান্দি, ভদ্রাসন, কাদিরপুর, মাদবরচর ও পাচ্চর।

ইয়েলো জোনের চার ইউনিয়ন হলো-বহেরাতলা উত্তর, উমেদপুর, চরজানাজাত ও কুতুবপুর। গ্রিন জোনে সাত ইউনিয়ন হলো-দত্তপাড়া, শিরুয়াইল, নিলখী, সন্ন্যাসীরচর, বন্দরখোলা, কাঠালবাড়ি ও ভান্ডারীকান্দি।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: