ঘুড়ি বেচে চলে সংসার

করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছে মানুষ। আর এই সময়টা বেড়া উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের বিনোদনের উত্স হয়ে উঠেছে ঘুড়ি ওড়ানো। এদিকে ঘুড়ি ওড়ানোর এই উত্সবে কপাল খুলে গেছে বেড়া পৌর এলাকার ছোট পায়না মহল্লার মোজাফফর হোসেনের। গত তিন মাস ঘুড়ি বানিয়ে তিনি আয় করেছেন ৬০ হাজার টাকারও বেশি। অপ্রত্যাশিত এমন আয়ে তার অভাবের সংসারে এসেছে সচ্ছলতা।

মোজাফফর হোসেনের বয়স প্রায় ৬৫ বছর, এক সময় রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। বয়সের কারণে এখন আর রিকশা চালাতে পারেন না। ঘুড়ি ওড়ানোর নেশা তার ছোটবেলা থেকেই। সেই নেশা থেকেই এক পর্যায়ে হয়ে ওঠেন একজন দক্ষ ঘুড়ি তৈরির কারিগর। মোজাফফর জানান, এর আগের বছরগুলোতেও ঘুড়ি বানিয়ে তিনি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। তবে তা খুব বেশি নয়। কিন্তু এবার ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে যা শুরু হয়েছে তাতে তিনি নিজেও হতভম্ভ হয়ে গেছেন।

মূলত করোনা পরিস্থিতির কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি জানান। মোজাফফর হোসেনের ঘুড়ি তৈরির মূল বিশেষত্ব হলো তিনি ছোট ঘুড়ি তৈরি করেন না। মাঝারি ও বড় আকৃতির ঘুড়ি তৈরিতে রয়েছে তার বিশেষ খ্যাতি। তিনি বলেন, ‘গত তিন মাসে বড়-ছোট মিলায়ে ১০০রও বেশি ঘুন্নি বানাইছি। এতে কমপক্ষে ৬০ হাজার টাকা আমার রোজগার হইছে। এই ঘুন্নি আমার কপাল খুইল্যা দিছে।’

ইত্তেফাক/এসআই

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: