বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিতদের পাশে চিফ হুইপ

মাদারীপুরের শিবচরের ৬ বারের সফল সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা-উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং জনপ্রতিনিধিরা দুর্গত এলাকায় গিয়ে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী, ঔষধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ বন্যা শুরু থেকে আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পর্যন্ত তা অব্যাহত রেখেছেন।

এছাড়া গত সোমবার (২০ জুলাই) নবাগত জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করেছেন।

তিনি সবাইকে অভয় দিয়ে বলেন, ‘আপনারা চিন্তা করবেন না, চিফ হুইপ স্যার, সরকার ও আমরা আপনাদের পাশে আছি।’

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান আতাহার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম রকিবুল হাসান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ৪ ইউনিয়নের সেক্টর কমান্ডার ইলিয়াছ পাশা, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ৩ ইউনিয়নের সেক্টর কমান্ডার খায়রুজ্জামান খান, মাদবরেরচর ইউনিয়ন পরিষদের ২ বারের সফল চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী চৌধুরী সুলতান মাহমুদ, বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন বেপারী, চরজানাজাত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশিদ মুন্সী, বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিত বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মির্জাপুরে কোরবানির পশু নিয়ে দেড় শতাধিক খামারি চরম বিপাকে

মাদবরেরচর ইউনিয়ন পরিষদের ২ বারের সফল চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী চৌধুরী সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘শিবচরের কৃতি সন্তান আমার নেতা জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপির নির্দেশে আমিসহ জেলা-উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা দুর্গত এলাকায় গিয়ে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী, ঔষধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করছি। কোভিড-১৯ মহামারির রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হলো এই দুর্যোগ। কোভিড-১৯ মহামারির শুরু থেকে যেভাবে মাদবরেরচর ইউনিয়নের জনগণের জন্য জীবনের মায়া ত্যাগ করে কাজ করেছি, তেমনি বন্যা কবলিত ও নদী ভাঙ্গন পরিবারগুলো জন্য কাজ করছি।’

উল্লেখ্য, মাদবরেরচর ইউনিয়নসহ ৮ ইউনিয়নে প্রায় ৯ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। ২১ টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এ পর্যন্ত ১৯’শ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও ৫ হাজার ৮’শ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এইদিকে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে স্থানীয় সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীর নির্দেশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে ভাঙ্গন প্রতিরোধের চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ইত্তেফাক/এএএম

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: