চীফ হুইপের নির্দেশে মাদবরেরচরের চেয়ারম্যানের নিজস্ব তহবিল থেকে বন্যা-নদীভাঙ্গন কবলিতদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

শিবচরের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর নির্দেশে মাদবরেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী সুলতান মাহমুদ নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। রবিবার বিকালে মাদবরেরচর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নতুনকান্দি বালুরমাঠে নিজস্ব তহবিল থেকে মাদবরেরচর, চরজানাজাত ও কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের আংশিক বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিত প্রায় ৪ শতাধিক পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন তিনি।

এছাড়াও নতুনকান্দি বালুরমাঠে আশ্রয় নেয়া বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারগুলোর জন্য তাৎক্ষনিক ৫টি টিউবয়েল ও ৫টি টয়লেটের ব্যবস্থা করে দেন। এ সময় মাদবরেরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আ. হালিম রাঢ়ী, মাদারীপুর জেলা ছাত্রলীগের ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেসিআই ঢাকা ইয়ংয়ের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুল হোসেন সবুজ, ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার জলিল হাওলাদার, সমাজ সেবক মশিউর রহমান মজিবরসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চৌধুরী সুলতান মাহমুদ বলেন, আমার নেতা জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমি করোনা যুদ্ধে যেমন সার্বক্ষণিক জনগণের পাশে ছিলাম, ঠিক তেমনিভাবে বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিত অসহায় মানুষের পাশে থাকবো। করোনা ভাইরাস মহামারী কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আঘাত হেনেছে বন্যা। আমার ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে নতুনকান্দি বালুরমাঠে মাদবরেরচর, চরজানাজাত ও কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের আংশিক বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছে। আজ আমার নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৪ শতাধিক পরিবারকে ৫০০ টাকা করে দিয়েছি। এবং তাদের যেন কোন অসুবিধা না হয় সেজন্য তাৎক্ষনিক ৫টি টিউবয়েল ও ৫টি টয়লেটের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আর তাদেরকে বলে এসেছি আমার নেতার নির্বাচনী এলাকায় কেউ না খেয়ে থাকবেনা।

তিনি আরও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই উন্নয়ন-অগ্রগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী উন্নয়নের সহযোগী হতে পেরে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। আমার ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সবসময় সেবা দিয়ে, তাদের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসহায় দুস্থ মানুষের মাঝে সরকারের ত্রাণ সামগ্রী এবং আমার ব্যক্তিগত সহায়তা যথাসময়ে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ফলে আল্লাহর রহমতে এখন পর্যন্ত ভাল আছে এই ইউনিয়নের মানুষ। গত ঈদেও সরকারি ত্রাণ ও প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো উপহার সামগ্রী, চীফ হুইপের পক্ষ থেকে ত্রাণ এবং আমার নিজস্ব তহবিল থেকে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাড়িতে বাড়িতে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: