শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ৪ টির মধ্যে ২ ঘাট বন্ধ

পদ্মার পানি বাড়া অব্যাহত থাকায় কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটের মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ৪ টির মধ্যে ২টি ঘাট বন্ধ রয়েছে। ১ ও ৪ নম্বর ফেরিঘাটে গাড়ি ওঠা-নামার পথ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ২ ও ৩ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল করছে। এর মধ্যে ২ নম্বর ফেরিঘাটের পথও পানিতে ডুবে গেলে মাটি, ইট ও সুরকি (ইটের খোয়া) দিয়ে তা উঁচু করে সচল রাখা হয়েছে।

এদিকে নদীতে স্রোতের তীব্রতার কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ঘাট এলাকায় দেখা দিয়েছে অর্ধ কিলোমিটারের মতো রাস্তায় ট্রাকের তীব্র যানজট।

কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, পদ্মায় পানি বৃদ্ধির ফলে চারটি ফেরিঘাটের দুটি ঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে। অন্য দুটি ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল করছে। তবে স্রোতের তীব্রতা থাকায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নৌরুটে মাত্র ৮টি ফেরি চলাচল করছে।

আরও পড়ুন: আগুনে দুই পরিবার কালো ছায়ায় ঢেকে গেল

সরেজমিনে মঙ্গলবার সকালে কাঁঠালবাড়ী ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, ১ নম্বর ফেরিঘাটের প্রবেশপথ পানিতে ডুবে আছে। ঘাট থেকে ফেরি ওঠার রাস্তা পুরোপুরি তলিয়ে যাওয়ায় ঘাটটি বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া ৪ নম্বর ঘাটটিও পানির কারণে বন্ধ। ২ নম্বর ফেরি ঘাটটি সংস্কার করে চালু রাখা হয়েছে। বর্তমানে ২ ও ৩ নম্বর ঘাট সচল রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে নৌরুটে ৩টি রোরো, ৩টি মিডিয়াম ও ২টি ছোট ফেরি চলছে।

বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম জানিয়েছেন, মূল পদ্মায় স্রোতের তীব্রতার কারণে সব ফেরি চলতে পারছে না। ডাম্পসহ অন্যান্য ফেরি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ফেরি চলাচলে সময়ও বেশি লাগছে।

অপরদিকে ঈদকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সকাল থেকে ঘরমুখো যাত্রীদের কিছুটা ভিড় রয়েছে ঘাটে। পদ্মায় তীব্র স্রোতে থাকায় ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। ফলে যাত্রীদের বেশিরভাগই লঞ্চে করে পার হচ্ছেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ৮৬টি লঞ্চ রয়েছে। শিমুলিয়া থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী নিয়ে কাঁঠালবাড়ী ঘাটে এসে ভিড়ছে। ঢাকাগামী যাত্রীর সংখ্যা কম থাকায় অনেক যাত্রী শূন্য লঞ্চ শিমুলিয়ার উদ্দেশ্যে কাঁঠালবাড়ী ঘাট ছেড়ে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘরমুখো যাত্রীরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে বুধবার ও বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রীদের চাপ অনেক বাড়বে।’

ইত্তেফাক/এএএম

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: