অনলাইনে ক্লাস হলে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের

যুক্তরাষ্ট্রে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ক্লাস নেবে সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন না। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হাজার হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব পড়বে। খবর বিবিসি ও এনডিটিভির

সোমবার মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীরা আমেরিকায় অনলাইনে পড়ালেখা করছেন তাদের ভিসা প্রত্যাহার করা হবে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টম এনফোর্সমেন্ট বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নন ইমিগ্র্যান্ট এফ-১ এবং এম-১ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কেবল অনলাইনে ক্লাস করছেন তাদের ভিসা ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

তারা জানিয়েছেন— এজাতীয় শিক্ষার্থীদের আমেরিকায় প্রবেশের জন্য নতুন করে আর ভিসা তো দেওয়া হবেই না, বরং সে সঙ্গে যেসব বিদেশি ছাত্রছাত্রী বর্তমানে আমেরিকায় থেকে অনলাইনে পড়ালেখা করছেন তাদের আমেরিকা ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। সেই সঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে একথাও বলা হয়েছে যে, যদি ছাত্রছাত্রীরা এ নির্দেশ না মানেন তবে তাদের চরম পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

ইমিগ্রেশন এবং কাস্টম এনফোর্সমেন্ট বিভাগ স্পষ্ট করেই জানিয়েছে, যাদের পড়ালেখা পুরোপুরি অনলাইনভিত্তিক এই জাতীয় শিক্ষার্থীদের পরের সেমিস্টারের জন্য কোনো ভিসা দেওয়া হবে না বা এই জাতীয় শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয় অবশ্য এক্ষেত্রে তাদের পরের সেমিস্টারের পরিকল্পনা বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি।

বেশির ভাগ কলেজই যদিও হাইব্রিড মডেলে ক্লাস করানোর ঘোষণা করেছিল, তবে হার্ভার্ডের মতো কিছু বড়ো বিশ্ববিদ্যালয় যেমন শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ অনলাইন ক্লাস সরবরাহ করার ঘোষণা করেছে।

ইত্তেফাক/এমআর

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: