স্বস্তিকাকে ধর্ষণের হুমকি, গ্রেফতার ২

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল বেচারার সেট থেকে একটি ছবি শেয়ার করে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন, তোমার এই হাসিমুখটাই মনে রাখতে চাই সুশান্ত। এরপর তিনি একাধিক পোস্টে সুশান্তের স্মৃতিচারণ করেছেন। দিল বেচারার শ্যুটিং সেট থেকে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছেন সকলের জন্য। সুশান্তের সঙ্গে তার নাচের ভিডিও ক্লিপিংস শেয়ার করেছেন। এমন একটি ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে তিনি বারবার কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পরিচালক মুকেশ ছাবরাকেও।

২৬ জুন একটি সংবাদমাধ্যম তার বক্তব্যের ভুল ব্যখ্যা করে লেখে, সুইসাইড আজকাল একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে।

সুশান্তের মৃত্যুতে কটাক্ষ স্বস্তিকার…এমন কথা তিনি কোথাও বলেননি। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু। সেই মিথ্যে খবর দেখে স্বস্তিকাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করা হয়। ট্রোল করা হয়। এমনকী অ্যাসিড আক্রমণ করে ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়।

এরপরই কলকাতা সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেন স্বস্তিকা। স্বস্তিকার অভিযোগের ভিত্তিতে ভুয়া খবরের অপরাধে বর্ধমানের গলসি থেকে আটক করা হয়েছে শুভম চক্রবর্তী নামের এক যুবককে। যিনি একটি ওয়েব পোর্টালে এই খবর প্রকাশ করেছিলেন। পুলিশি জেরায় সে তার অপরাধ স্বীকারও করেছে।

এছাড়াও হুগলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কৌশিক দাস নামের আরও এক যুবককে। যিনি অভিনেত্রীর উপর অ্যাসিড হামলা ও ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিলেন।

এই দুজনকেই আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন স্বস্তিকা। সাইবার ক্রাইম বিভাগের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ, ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এমনই জানিয়েছেন স্বস্তিকা।

বৃহস্পতিবার তিনি ইনস্টাগ্রামে খুব সুন্দর একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে মূল্যবান কিছু কথাও বলেন।

তিনি লেখেন, এই দৃশ্যে আপনাকে কী সুন্দর লাগছে! আপনার চুলের স্টাইলটা খুব সুন্দর ছিল! সিনেমার এই চরিত্রটি আপনার সঙ্গে কি দারুণ মানিয়েছে! সিনেমাটি অসম্ভব ভালো লেগেছে… কয়েক বছর ধরে আমি যে কাজ করেছি তার জন্য আমাকে প্রায়শই এগুলি এবং আরও অনেক কিছু বলা হয়েছে। আমরা যখন কোনও সিনেমা বা কোনও শো দেখি তখন আমরা পর্দার সেই চরিত্রগুলির সঙ্গে বাস্তব চরিত্রটি মেলানোর চেষ্টা করি। প্রশংসাও পাই। কিন্তু বিশ্বাস করুন, দিল বেচারার পুরো টিম অবিশ্বাস্য ভাবে পরিশ্রম করে গিয়েছে। টিমের সবাই সবার সেরা অভিনয় দিতে কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমার অন্তর থেকে সবাইকে শ্রদ্ধা ভালোবাসা। এরা আমাকে আমার সেরাটা দিতে সাহায্য করেছে। আমার পরিবার। পরিবারের বাইরেও আরও একটা পরিবার এভাবেই তৈরি হয়। টিম ওয়ার্ক কাকে বলে এখানেই শিখেছি। খুব শীঘ্রই আমাদের কঠিন পরিশ্রম আপনারা পর্দায় দেখবেন।

ইত্তেফাক/বিএএফ

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: