১৯ বছরের মধ্যে তুরস্কে মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে

আঙ্কারা, ০৪ জানুয়ারি – তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান নজিরবিহীন ও অপ্রচলিত কিছু মুদ্রানীতি গ্রহণের পর দেশটিতে ১৯ বছরের মধ্যে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সোমবার প্রকাশিত তুরস্কের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের পর বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির হার এখন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে, তুরস্ক সরকার মুদ্রাস্ফীতির যে ধারণা করেছিল তার চেয়ে সাত গুণ বেশি মুদ্রাস্ফীতির হয়েছে।

২০০২ সালের অক্টোবর মাসে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৩৩.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছিল। এই ঘটনা ঘটেছিল রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বা এ কে পার্টি ক্ষমতায় আসার আগে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের চেয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ভোক্তাদের খরচ বা পণ্যমূল্য ৩৬.১ শতাংশ বেড়ে যায়। গত নভেম্বর মাসে পণ্যমূল্য বেড়েছিল শতকরা ২১.৩ শতাংশ।

২০০১ সালে যে অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছিল এরদোয়ান সরকার ক্ষমতায় এসে তা অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় আনে। এ সাফল্যের জন্য প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও তার দলের অবদানকে তুরস্কে যথেষ্ট সম্মানের চোখে দেখা হয়। কিন্তু চলমান অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টির জন্য এরদোয়ানের মুদ্রানীতিকেও দায়ী করা হচ্ছে।

২০০১ সালের অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টির পর রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ইসলামপ্রিয় দল ক্ষমতায় আসে এবং এরদোয়ান গত দুই দশক ধরে প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশটির রাজনীতিতে একক আধিপত্য বিস্তার করছেন। আগামী ২০২৩ সালে তুরস্কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কথা রয়েছে এবং চলমান এই সংকট এরদোয়ানের পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল
এন এইচ, ০৪ জানুয়ারি

১৯ বছরের মধ্যে তুরস্কে মুদ্রাস্ফীতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: