কর্মক্ষেত্রে কেমন হবে ব্যক্তিত্ব?

উদ্দীপনা
কর্মক্ষেত্রে মনমরা হয়ে কাজ করে গেলে চলবে না। মূল কাজগুলো সম্পন্ন করাই আদর্শ কর্মীর একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। আপনাকে সব সময় উদ্দীপ্ত থাকতে হবে। সহকর্মীদের কাছেও নিজেকে জাহির করতে হবে আদর্শ কর্মীর উদাহরণ হিসেবে। হতাশাজনক আচরণ শুধু আপনার ক্যারিয়ারের জন্যই নয়, সহকর্মীদের জন্যও ক্ষতিকর। চাকরিটা উপভোগ করতে শিখুন। উপভোগ করতে না পারলে সফলতা আসার নজির কোথাও খুঁজে পাবেন না।

খাপ খাওয়ানো
পরিবেশ আপনার মনের মতো হবে না। বরং আপনাকে এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ক্রমে নিজের কর্মদক্ষতার বিকাশ ঘটাতে চান? অফিসের পরিবেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে উপযোগী হয়ে উঠুন। ঘুণে ধরা নিয়ম আঁকড়ে ধরার মতো মানসিকতা বিসর্জন দিন। সবার প্রতি সহনশীল থাকতে হবে। আপনাকেও অন্যরা অনুসরণ করবে। অনেকের সঙ্গে মতের মিল নাও হতে পারে। কিন্তু বোঝাপড়ার মাধ্যমে সব কিছুর সমাধান সম্ভব।

সততা
হতেই পারে আপনি অফিসের অনেক জিনিসপত্র ব্যক্তিগত বলে মনে করেন। কাগজ, কলম বা অন্যান্য জিনিস নিজের অজান্তেই বাড়িতে নিয়ে যান। প্রতিষ্ঠানের কাছে বিষয়টি অনেক নেতিবাচক। সজ্ঞানে সবার অগোচরে কিছু নিয়ে যাওয়ার কথা তো মাথায় আনাই যাবে না। সততার পথে চলতে হবে। কেউ না দেখলেও নিজের কাছে সৎ থাকতে হবে।

নিয়মানুবর্তিতা
একদিন বিভাগের বড় কর্তাব্যক্তি হতে চাইলে নিজেকে নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে আনুন। যদি নিজে তা না পারেন, তাহলে কিভাবে অন্যদের নিয়মের মধ্যে আনবেন? কাজেই কী করতে হবে তা আপনি ভালোই জানেন। শুধু চর্চা চালাতে পিছপা হবেন না।

দয়াশীলতা
এর চর্চা আপনার মনটাকে নরম ও শান্তিময় করবে। নোংরা মনের কর্মীরাই জয়ী হন, তা কিন্তু সব সময় ঠিক নয়। প্রতিষ্ঠানে কর্মীরা কিন্তু নিজেকে এগিয়ে নিতেই সব সময় সচেষ্ট থাকেন। তাই বলে স্বার্থপরের মতো আপনি কেন অন্যদের ক্ষতির কারণ হবেন? সহকর্মীদের প্রতি দয়াশীল হতে কার্পণ্য করতে নেই।

এম ইউ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: