চাই ঝকঝকে মেঝে

this is caption

ঘর সাজাতে আমরা পর্দা, শো-পিস আর আসবাবপত্রের দিকেই বেশি নজর দেই। পাশাপাশি মেঝের দিকেও নজর দেয়া প্রয়োজন। সুন্দর নান্দনিক নকশার মেঝে বাড়িয়ে তোলে ঘরের সৌন্দর্য। কিন্তু প্রতিদিন হাঁটাচলা ও ব্যবহারের ফলে মেঝে হয়ে যায় অপরিচ্ছন্ন। এতে করে ঘরের সৌন্দর্য ম্লানও হয় বটে।

সাধারণত বেশিরভাগ বাসার মেঝে মোজাইক দিয়ে তৈরি করা হয়। সেক্ষেত্রে মেঝে প্রতিদিন পানি দিয়ে মোছার পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত একদিন লিক্যুইড ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। টাইলস ও গ্রানাইটের মেঝেও একইভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

যাদের বাড়িতে কাঠের মেঝে আছে, তারা সপ্তাহে একদিন পানি দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করবেন। প্রতিদিন কাঠের মেঝে পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে এর রং উঠে যায় এবং কাঠ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

রান্নাঘরের মেঝে খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হয়। সেক্ষেত্রে সপ্তাহে একদিন গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে মেঝে পরিষ্কার করলে মেঝের তেল চিটচিটেভাব দূর হয়।

অনেক সময় দেখা যায়, খাবার বা অন্য কিছুর দাগ মেঝেতে পড়লে সহজে উঠতে চায় না। সেক্ষেত্রে তেঁতুলের পানি বা কামরাঙার রস দিয়ে কাপড় ভিজিয়ে তা দিয়ে মুছলে সহজেই দাগ উঠে যাবে।

বর্ষাকালে ঘরের কোণে নানা ধরনের পোকামাকড় বাসা বাঁধে। সেক্ষেত্রে ছোট পাতলা কাপড়ে কালিজিরা রেখে পুঁটলি বেঁধে ঘরের কোনায় বা যেখানে পোকামাকড় বাসা বাঁধে সেসব স্থানে রাখলে পোকা মাকড়ের উপদ্রব দূর হবে।

আআ/যাকা

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: