সঙ্গীর সাথে সম্পর্ক খারাপ, দায়ী কে? বুঝে নিন ৬ লক্ষণে

মানুষ মাত্রই ভুল। কেউই শতভাগ সঠিক হতে পারে না। এইটা দুটো মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কার্যকর। সবারই কোন না কোন দোষ বা সমস্যা আছে। এইটা স্বাভাবিক বিষয়। যদি আপনার সঙ্গীর আচরণ আপনাকে পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় তবে বিষয়টি আপনার কাছে তিক্ততায় ভরে উঠবে এবং আপনি নেতিবাচক চিন্তা করতে বাধ্য হবেন।

অন্য কাউকে দোষ দেওয়া খুব সহজ। কিন্তু সমস্যা যদি আপনার নিজের মধ্যে হয় তাহলে? আমাদের নিজস্ব আচরণগুলো প্রথমে পরীক্ষা করা দরকার। অনেকেই নিজের দোষ স্বীকার করতে চান না যা একেবারেই উচিত না। কারণ সমস্যা চিহ্নিত না করলে তা থেকে সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব না।

ভুল পথে পরিচালিত করা:

সঙ্গীর কাছ থেকে তথ্য গোপন করা এবং মিথ্যা বলা কোনটাই সম্পর্কের ভালো ফল বয়ে আনে না। যদি আপনি এইগুলোর মধ্যে কোনও কাজ করে থাকেন তবে আপনি স্পষ্ট ভাবেই আপনার সঙ্গীকে ম্যানিপুলেট করছেন এবং যা সম্পর্ককে বিষাক্ত করে তোলে। এর ফলাফলে শেষ পর্যন্ত দুজনের মধ্যে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা কমবে।

প্রভাব খাটানো:

অনেক সময় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যা কখনোই ঠিক হবে না। আপনার কথা যদি আপনার সঙ্গী শোনে তবে আপনারও উচিত হবে তার কথা শোনা। সবসময় কোন কিছু নিয়ে জোর খাটানো ঠিক হবে না।

বিচ্ছেদের হুমকি:

যদি কোনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গীকে হুমকি দেওয়া স্বাভাবিক মনে হয় তবে আপনাকে অবশ্যই এটি জেনে রাখা উচিত যে এ সম্পর্ক কখনো সুখী হয় না। এই হুমকিগুলি কেবল একটি নাজুক পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে এবং বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি করে। এই জাতীয় কোনও হুমকি দেওয়ার আগে পরিস্থিতি থেকে সরে আসার চেষ্টা করুন এবং নিজেকে শান্ত হতে সময় দিন।

ব্যক্তিগত স্থান দেওয়া:

সঙ্গীর সাথে যতই ঘনিষ্ঠ হন না কেন তাকে ব্যক্তিগত কিছু জায়গা দেন। নিজের কিছুটা জায়গা থাকলে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে এবং নিজের পচ্ছন্দেরও বিকাশ ঘটে। সুতরাং,এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে চলুন।

সম্পর্কটি শুধু্ একার?

আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে কেবল আপনার প্রয়োজনীয়তাগুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনার সঙ্গী যা করছে তার কোন কিছুই গুরুত্বপূর্ণ না সেক্ষেত্রে আপনার সম্পর্কটি অস্বাস্থ্যকর। যদি আপনার সঙ্গী আপনার কাছ থেকে কোনও সমর্থন না খুঁজে পায় এবং আপনি তাদের বিশ্বাসী না হন তবে এটি কিভাবে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের দিকে পরিচালিত করবে? আপনার সঙ্গীর মতামতকেও আপনার সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

আয়ু বাড়ে

মন থেকে ভালো থাকলে সব অসুখ, একাকিত্ব সেরে যায়। হতাশা দূর হলেই মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। যেকোনো কাজে নতুন করে এনার্জি পাওয়া যায়। জীবন অনেক সুন্দর হয়। আর মন থেকে ভালো থাকার একটি অন্যতম উপায় প্রেম।

আরও পড়ুন: সম্পর্কের তিক্ততা দূর হোক

দায়িত্ব না নেওয়া:

যদি আপনি কেবল অন্যকে দোষারোপ করার জন্য সমস্ত দায়বদ্ধতা ত্যাগ করেন তবে আপনি তিক্ততার দিকে এগোচ্ছেন। এর ফলে শেষ পর্যন্ত আপনার সম্পর্কের ক্ষতি হবে। আপনার যতটুকু দায়িত্ব আপনি অবশ্যই তা করার চেষ্টা করেন।

আডি/ ২৬ ডিসেম্বর

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: