সিআইডি’র ডিএনএ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ ল্যাবরেটরি নাম বদলে ‘ডিএনএ ব্যাংক’ হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেছে। গতকাল সোমবার শুরু হয় নতুন নামের এ পথচলা। বুধবার (১০জুন) সিআইডি সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সিআইডি সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এই ল্যাবে এ পর্যন্ত ধর্ষণ, পিতৃত্ব বিরোধ, অজ্ঞাত মৃতদেহ, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনার প্রায় ছয় হাজার মামলার ১৬ হাজারের বেশি আলামত থেকে ২০ হাজার ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হয়েছে। এসব প্রোফাইল সংরক্ষণ করা হয়েছে ল্যাবরেটরি ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সার্ভারে।

আরো পড়ুন: করোনায় জীবন দিলেন আরো এক পুলিশ সদস্য

সিআইডি জানায়, ডিএনএ ব্যাংক বলতে বোঝায় স্থায়ীভাবে ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণ করা। ডিএনএ ব্যাংকে সংরক্ষিত অপরাধীদের প্রোফাইল পরবর্তীতে তাকে শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আদালতের আদেশক্রমে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়। ‘ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি অফ বাংলাদেশ পুলিশ’ প্রথম আলামত গ্রহণ করে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি। সিআইডির ডিএনএ ব্যাংকে এখন বিভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রায় ১৫ হাজার প্রোফাইল সংরক্ষিত আছে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব। অপরাধীদের ডিএনএ প্রোফাইল তদন্ত কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা সংক্রান্ত সকল আলামতের বিশ্লেষণ ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবে হয়ে থাকে। সিআইডির ডিএনএ ল্যাবের সহায়তায় পুলিশ অসংখ্য ফৌজদারি ও দেওয়ানী মামলা সমাধান করেছে। বর্তমানে ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাব দেশের বিভিন্ন আদালত ও থানা থেকে আসা শতাধিক মামলার আলামত গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দেয়।

ইত্তেফাক/এএএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: