হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের পুঁজি ১২৪

ঢাকা, ২২ নভেম্বর – বিশ্বকাপে ভরাডুবির ব্যর্থতা থামছে না মিরপুরেও। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যে সিরিজ খুইয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তবে শেষটা ভালো করতে চায় টাইগাররা। একই সঙ্গে ঘরের মাটিতে হোয়াইটওয়াশও এড়াতে চায় বাংলাদেশ। অন্যদিকে সিরিজ ৩-০ করে জিততে মরিয়া শক্তিশালী পাকিস্তান।

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। প্রথম দুই ম্যাচেই দেখা গেছে টাইগারদের হতশ্রী ব্যাটিং প্রদর্শনী। প্রথম ম্যাচে অন্তত লড়াই করা গেলেও পরেরটিতে পাত্তাও পায়নি মাহমুদউল্লাহর দল।

ব্যাটিংয়ে নামার শুরু থেকেই নড়বড়ে টাইগার দুই ওপেনার। সাইফ বাদ যাওয়ায় এই ম্যাচে নাঈমের সঙ্গী হয়েছে আগের ম্যাচে সর্বোচ্চ রান করা শান্তর। কিন্তু শেষ ম্যাচে পুরোপুরি ব্যর্থ টাইগার এই ব্যাটসম্যান। ৫ বলে ৫ রান করে শাহনওয়াজ দাহানির ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে ফিরলেন শান্ত। অভিষেকে বল হাতে নিয়েই উইকেট পেলেন শাহনওয়াজ দাহানি।

শান্তর বিদায়ের পর মাঠে নেমেই দাহানিকে চার মারেন শামীম হোসেন। মোহাম্মদ নাঈমের সঙ্গে ক্রিজ আঁকড়ে থেকে নিয়মিত বিরতিতে রান ওঠানোর চেষ্টায় ছিলেন তিনি। চতুর্থ ওভারে দাহানিকে টানা দুটি বাউন্ডারি মারেন তিনি। তবে ইনিংস বড় করতে পারলেন না শামীম। উসমান কাদির বল হাতে নিয়েই তাকে ফেরান। অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে শামীম সহজ ক্যাচ দেন ইফতিখার আহমেদকে। ২৩ বলে ২২ রান করেন টাইগার এই ব্যাটার।

দলীয় ১১১ রানে ওয়াসিমের বলে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নাঈম। শুরু থেকেই দলের হাল ধরেছেন তিনি। কিন্তু ৫০ বল মোকাবেলা করেও ব্যক্তিগত অর্ধশতক হাঁকাতে পারেননি তিনি। ৪৭ রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন নাঈম।

বাংলাদেশ দল শেষ ম্যাচে তিনটি পরিবর্তন এনেছে একাদশে। মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও সাইফ হাসান বাদ পড়েছেন। অভিষেক হচ্ছে শহীদুল ইসলামের। এছাড়া দলে ঢুকেছেন শামীম হোসেন ও নাসুম আহমেদ। পাকিস্তান দলেও একজনের অভিষেক হয়েছে। শাহনওয়াজ দাহানি ৯৫তম খেলোয়াড় হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে অভিষিক্ত হলেন। বাবর আজমের দলে বদল চারটি। উইকেটকিপার সরফরাজ, অফ স্পিনার ইফতিখার, লেগ স্পিনার উসমান কাদির ও দাহানি ঢুকেছেন দলে।

বিশ্বকাপ ও পাকিস্তান সিরিজ মিলিয়ে শর্টার ফরম্যাটে টানা সাত ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৬-১৭ মৌসুমে টানা আট টি-টোয়েন্টি হারে টাইগাররা।

আজ সেই রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলতে পারে মাহমুদউল্লাহর দল। এটি বাংলাদেশের টানা হারের রেকর্ড নয়। ২০০৭-২০১০ মৌসুমে টানা ১২ টি-টোয়েন্টিতে হেরেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ একাদশ:

নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ, নুরুল হাসান, আফিফ হোসেন, শামীম পাটোয়ারী, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও নাসুম আহমেদ।

পাকিস্তান দল:

বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, হায়দার আলী, সরফরাজ আহমেদ, খুশদিল শাহ, ইফতিখার আহমেদ, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম, উসমান কাদির, হারিস রউফ ও শাহনেওয়াজ দাহানি।

সূত্র : সমকাল
এন এইচ, ২২ নভেম্বর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: