কোহিলির অ্যাটিটিউড ভাল তবে সে ঝগড়াটে: গাঙ্গুলি

নয়াদিল্লী, ১৯ ডিসেম্বর – ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ও সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ‌‌বিরাট কোহলির অ্যাটিটিউড আমার ভাল লাগে। তবে সে অনেক বেশি ঝগড়া করে।

ভারতের রাজধানী গুরুগাঁওয়ে একটি অনুষ্ঠানে গাঙ্গুলি এই মন্তব্য করেন।

কোন খেলোয়াড়ের অ্যাটিটিউড সবচেয়ে ভালো লাগে অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ব্যক্তির এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতের সাবেক সফল অধিনায়ক গাঙ্গুলি বলেন, আমি কোহিলির অ্যাটিটিউড অনেক পছন্দ করি। তবে সে ঝগড়াটে।

জীবনে কার কাছ থেকে বেশি প্যাড়া বা চাপ এসেছে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‌আমি আমার জীবনে কখনো চাপ বা প্যাড়া অনুভব করিনি। তবে আপনাকে আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকাই কেবল প্যাড়া দিতে পারে।

সম্প্রতি সীমিত পরিসরের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলির মন্তব্যে তোলপাড় শুরু হয় ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ঠিক আগে কোহলি বিসিসিআইকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তাতে স্পষ্ট কোহলি ও বিসিসিআইয়ের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। কয়েকদনি ধরেই এসব নিয়ে কথা চলছে। তবে বিসিসিআই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলেনি।

তবে বৃহস্পতিবার গাঙ্গুলি গণমাধ্যমে বলেন, ‘এই বিষয়ে কোনো বিবৃতি দেওয়া হবে না। কোনো সংবাদ সম্মেলনও হবে না। আমরা যথাযথভাবে এটা সামলে নেব। বিসিসিআইয়ের ওপর ছেড়ে দিন।’

বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেবেন, এমন ঘোষণা আগে দিয়েছিলেন কোহলি। গাঙ্গুলির দাবি, কোহলির এমন ঘোষণার পর তার সিদ্ধান্ত পুর্নবিবেচনার জন্য বিসিসিআই থেকে বলা হয়।

কিন্তু এক সংবাদ সম্মেলনে এসে গাঙ্গুলির কথা মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেন কোহিলি। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, সেটা সম্পূর্ণ ভুল। এছাড়া ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে আমাকে রাখা হচ্ছে না তা আমাকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের মাত্র দেড় ঘণ্টা আগে জানানো হয়। টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর বিসিসিআই থেকে আমার সঙ্গে কেউই যোগাযোগ করেনি।’

কোহলি বলেন, ‘আমি যখন টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেই তখন বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং তারা আমার সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে। টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরে যাওয়ার কারণ ছিল এবং আমার সিদ্ধান্ত তারা মেনেও নেয়। কোনো অজুহাত কিংবা অনুরাগ নেই আমার। আমাকে কেউ একবারও বলেনি, তুমি অধিনায়কত্ব ছেড় না।’

এর আগে পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাঙ্গুলি বলেন, ‘আমরা কোহিলিকে অনুরোধ করেছিলাম টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব না ছাড়তে। কিন্তু সে এ দায়িত্ব চালিয়ে যেতে রাজী নয়। এ জন্য নির্বাচকরা মনে করেছে, দলে দুজন অধিনায়ক রাখার কোনো মানে নেই।’

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ১৯ ডিসেম্বর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: