পরাজিত হয়েও সেমিতে রিয়াল

this is caption

পরাজিত রিয়ালের এতো উচ্ছাস এর আগে কেউ কখনও দেখেনি। ডর্টমুন্ডের মাঠে হেরেছে রোনালদোবিহীন রিয়াল। তবে প্রথম লেগের বড় জয়ের সুবাদে খাদের কিনারা থেকেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে উঠে গেলো কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

এ ম্যাচে ২-০ গোলে হেরেও প্রথম লেগে ৩-০ গোলে জয়ের সুবাদে সেমিফাইনালে পথে পা বাড়ালো দলটি।

গতবারও এই বরুসিয়ার কাছে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিলো রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচ জুড়ে অধিপত্য ছিলো ডার্টমুন্ডের। প্রথম ১৬ মিনিটের সময় ফ্যাবিও শট ডার্টমুন্ডের ডিফেন্ডার পিজজেকের হাতে লাগলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। তবে পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি রিয়ালের ডি মারিয়া।

তবে ডার্টমুন্ড কোনো ভুল না করেই গোল তুলে নেয়। ডিফেন্ডার পেপের একটি বল ভুলক্রমে পেয়ে যান মার্কো রিওস। আর গোলরক্ষক ক্যাসিয়াসকে বোকা বানিয়ে গোল তুলে নেন রিওস।

আর ৩৭ মিনিটে প্রথম গোলের নায়ক রিওসের আবারো গোল করেন। এবার ইলারামেন্দির ভুল পাস বল পেয়ে যান লেভানদোভস্কি। তবে তার শটে ফিরিয়ে দেয় অভিজ্ঞ ক্যাসিয়াস। কিন্তু ফিরতি বলে রিওসের শট রিয়ারেল জালকে খুঁজে নেয়। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ডারটমুন্ড। এরপর প্রথমার্ধের বাকি সময়টুকুতে কোনোমতে নিজেদের রক্ষা করে রিয়াল।

দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই গুছিয়ে নেয় রিয়াল। ৫১ মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিলেন গ্যারেথ বেল। তবে অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় শটটি।

৬২ মিনিটে আবারো সুযোগ আসে অতিথিদের সামনে। মদ্রিচের পাস করিম বেনজামাকে খুঁজে পেলেও ফরাসি স্ট্রাইকারের ডার্টমুন্ডের জালের ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় আবারো ব্যর্থ হয় রিয়াল।

আর ৮০ মিনিটে ইসকো আর ৮১ মিনিটে বেনজেমা দুটি সুযোগ হাতছাড়া করেন। তবে শেষ সময়ে মরিয়া হয়ে গোল দিতে গিয়ে উল্টো গোল খেতে বসেছিলো ডার্টমুন্ড। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো গোলই হয়নি।

ফলে ২-০ গোলে পরাজয় হাসি মুখে বরণ করে নেয় রিয়াল। তবে প্রথম লেগে ৩-০ তে এগিয়ে থাকার কারণে সেমিফাইনালে উঠে গেল স্প্যানিস দল রিয়াল মাদ্রিদ।

ইয়া/এ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: