টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পেছানোর পক্ষে পাকিস্তান

প্রাণঘাতি করোনার কারণে বদলে গেছে অনেক কিছুই। ক্রীড়া আসরগুলোতেও এসেছে নানা পরিবর্তন। বন্ধ বা স্থগিত হয়ে গেছে বড় বড় ক্রীড়া আসর। এবার আলোচনায় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। তবে করোনার দাপটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। যদিও এই টুর্নামেন্ট আয়োজন কার্যত অসম্ভব বলে জানিয়ে দিয়েছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) চেয়ারম্যান আর্ল এডিংস। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলো পাকিস্তানও।

সম্প্রতি সিএ’র প্রধান বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যে সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে সেই হিসেবে মিলালে এটা বলা যেতেই পারে যে বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর চিন্তাটা বড় বেশি অবাস্তব। আয়োজন হলেও অনেক বেশি কঠিন কাজ হবে।’

এনডিটিভি জানাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার এমন অবস্থানের পর বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য প্রতিবেশী দেশ এগিয়ে এলো। নিউজিল্যান্ডের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে আয়োজক হতে তাদের কোনও সমস্যা নেই। কারণ কয়েকদিন আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন নিজেদের দেশকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করেছেন। যদি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে পছন্দ করে তাতে তাদের কোনও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী গ্র্যান্ট রবার্টসন।

অস্ট্রেলিয়ায়া বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় রয়েছে। নিউজিল্যান্ড আয়োজন করতে আগ্রহী? এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে।’

আগামী জুলাইয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে। এর আগে কয়েক দফা বৈঠক করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এসেনি আইসিসির নীতি-নির্ধারকদের পক্ষ থেকে।

চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবার কথা টোয়েন্টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১৫ নভেম্বর ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে ১৬ জাতীর এই টুর্নামেন্টটি।

তবে পাকিস্তানের বোর্ড চেয়ারম্যান এহসান মানি বলছেন, এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন না করাই ভালো। তার মতে, করোনার মধ্যে এতো বড় একটি আয়োজনে অনেক কিছুই ঝুঁকি থাকে। তাই এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন না করে আইসিসির অন্য ইভেন্টগুলোতে মনযোগ দেয়া উচিত।

ইত্তেফাক/এসআই

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: