মিরপুরে প্রস্তুতি ম্যাচের আশায় মুমিনুল

করোনাকালে বিসিবির ব্যবস্থাপনায় ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলনে দেখা যায়নি বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ককে। তবে ঈদের পরপরই অনুশীলনে ফিরবেন টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। প্রায় পাঁচ মাস পর অনুশীলনে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। করোনার কারণে কক্সবাজারে না গিয়ে ঢাকায় ঈদ করবেন মুমিনুল।

বাংলাদেশ দলকে শ্রীলঙ্কা সফরে পাঠানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবরে শ্রীলঙ্কায় যাবে বাংলাদেশ। লঙ্কায় যাওয়ার আগে পরিবেশ অনুকূলে থাকলে মিরপুরেই একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে যেতে চান টেস্ট অধিনায়ক। তবে শর্ত হিসেবে বলেছেন, এটা পুরোপুরি নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

ঢাকায় ঈদ করবেন জানিয়ে মুমিনুল গতকাল বলেছেন, ‘ঢাকায় ঈদ করব।’ ঈদের কয়েক দিন পরই ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনুশীলনে নামবেন তিনি। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান গতকাল বলেছেন, ‘ঈদের পর আমি প্র্যাকটিসে আসব। আশা করছি, ঈদের তিন-চার দিন পরে যেতে পারব।’

শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে এখনো ধোঁয়াশায় আছেন টেস্ট অধিনায়ক। তার আশা, শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় যেতে হলে বিসিবি নিশ্চয়ই সর্বোচ্চ প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবে। গতকাল মুমিনুল বলেছেন, ‘আমি এখনো জানি না, হবে কি হবে না। শ্রীলঙ্কা সিরিজ যদি হয়, তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। তখন নিশ্চয়ই বোর্ড প্রস্তুতির একটা রূপরেখা তৈরি করবে। আশা করি ভালো প্রস্তুতিই হবে। কারণ বোর্ড তো প্রস্তুতির জায়গায় ছাড় দেবে না।’

গুঞ্জন আছে, করোনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা চিন্তা করে শ্রীলঙ্কায় গিয়ে বাংলাদেশের জন্য কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার ব্যবস্থা রাখতে চায় না লঙ্কান বোর্ড।

নিজেদের টেস্টের জন্য প্রস্তুত করতে মিরপুরেই ম্যাচ খেলতে পারেন টাইগাররা। টানা ৯ দিন মিরপুরে ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলনের পর মুশফিকুর রহিম মন্তব্য করেছিলেন যে ঈদের পর গ্রুপ ধরেও অনুশীলন সম্ভব। বিসিবিও পরিকল্পনা করছে ঈদুল আজহার পর আগস্টের মাঝামাঝি ক্যাম্প শুরু করার। মুমিনুল বলছেন, প্রস্তুতি ম্যাচ হলে খুব ভালো। যদিও এটা নির্ভর করছে দেশের করোনা পরিস্থিতির ওপর।

দেশে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে যাওয়া প্রসঙ্গে গতকাল তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে যেটা মনে হয়, এখন যে পরিস্থিতি সেটার যদি উন্নতি হয়, তখন তো অনেক কিছুই করা সম্ভব। পরিস্থিতি ভালো হলে বোর্ড মনে করলে এখানে খেলাতেও পারে। আর যদি পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায়, আমরা কেউ জানি না কী হবে ঈদের পর। খারাপ হলে এসব কাজ কঠিন হয়ে যাবে। আমি মনে করি এটা পুরোপুরি করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। প্রস্তুতি ম্যাচ হলে তো খুবই ভালো। কিন্তু পরিবেশের ওপর নির্ভর করবে। খেলতে পারলে খুব ভালো হবে।’

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: