আইসিসির হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত হলেন আব্বাস-ক্যালিস-লিসা

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হল অফ ফেমের অর্ন্তভূক্ত হলেন পাকিস্তানের জহির আব্বাস, দক্ষিণ আফ্রিকার জক ক্যালিস এবং অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেটার লিসা স্টালেকার।

পাকিস্তানের জাতীয় দল ও কাউন্টি ক্লাব গ্লচেষ্টাশায়ারের হয়ে ১৯৭০-৮০ দশকে রানের ফুলঝুড়ি ফুটিয়েছেন জহির। সেসময় তাকে অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্রাডম্যানের সাথে তুলনা করে এশিয়ার ব্রাডম্যান হিসেবে ডাকা হতো। টেস্টে সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবেও বিবেচনা করা হতো।

আইসিসির হল অফ ফেমের অর্ন্তভূক্ত হয়ে জহির বলেন, ‘২০২০ সালের আইসিসি হল অব ফেমে জায়গা পেয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করছি।’

এশিয়ার মধ্যে একমাত্র ব্যাটসম্যান জহির, প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে যার ১শর বেশি সেঞ্চুরি রয়েছে। আইসিসির হল অফ ফেমে জায়গা পাওয়া ষষ্ঠ পাকিস্তানি ক্রিকেটার আব্বাস। এর আগে পাকিস্তানের হয়ে এই সম্মাননা পেয়েছেন হানিফ মোহাম্মদ, জাভেদ মিঁয়াদাদ, ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনুস।

ক্রিকেটের ইতিহাসে টেস্ট ও ওয়ানডে ফরম্যাটে অন্তত ১০হাজার রান ও ২৫০ উইকেট নেয়া একমাত্র খেলোয়াড় ৪৪ বছর বয়সী ক্যালিস।

২০০৫ সালে আইসিসির বর্ষসেরা খেলোয়াড় ও আইসিসি টেস্ট খেলোয়াড় ক্যালিস। দক্ষিণ আফ্রিকা সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ও বিশ্বে যিনি রয়েছেন তৃতীয় স্থানে।

হল অফ ফেমের অর্ন্তভূক্ত হয়ে ক্যালিস বলেন, ‘খেলা শুরুর সময় এমন কিছু আমি কখনো আশা করিনি।’

টেস্ট ও ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ক্যালিস বলেন, ‘আমি যেখানেই খেলেছি সেখানেই আমি শুধু জিততে চেয়েছি।’

নারী ক্রিকেটে ওয়ানডে ফরম্যাটে ১০০০ রান ও ১০০ উইকেট অর্জন করা প্রথম ক্রিকেটার ভারতীয় বংশোদ্ভূত লিসা।

২০০৫ ও ২০১৩ ওয়ানডে এবং ২০১০ ও ২০১২ টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন লিসা।

গেল বছর হল ফল অফ ফেমে যুক্ত হয়েছিলেন ভারতের শচীন টেন্ডুলকার, দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার অ্যালান ডোনাল্ড ও অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেটার ক্যাথরিন ফিৎজপ্যাট্রিক ।

২০০৯ সালের ২ জানুয়ারি থেকে যাত্রা শুরু হয় আইসিসি হল অফ ফেমের। এরপর থেকে প্রতি বছর আইসিসি হল অফ ফেম অন্তর্ভুক্ত করে কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের সম্মাননা দিয়ে আসছে।

ইত্তেফাক/এএম

সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: